৪. 😈 মহিষাসুর — উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী — পৃষ্ঠা ২১
৪. 😈 মহিষাসুর — উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী — পৃষ্ঠা ২১ - WBBPE - Grade 3 - বাংলা
মহিষাসুর 😈
উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
💡 এক সময় একটি অত্যন্ত ভয়ংকর অসুর ছিল। সে মহিষ বা মোষের রূপ ধারণ করে ঘুরে বেড়াতো, তাই সবাই তাকে মহিষাসুর নামে ডাকতো। দেবতারা কিছুতেই তার সঙ্গে পেরে উঠতেন না। টানা একশো বছর ধরে দেবতারা তার সঙ্গে যুদ্ধ করলেন, কিন্তু শেষ পর্যন্ত যুদ্ধে মহিষাসুরই জিতল। সে দেবতাদের স্বর্গ থেকে তাড়িয়ে দিয়ে নিজেই দলবল নিয়ে স্বর্গ দখল করে নিল। দেবরাজ ইন্দ্রের সিংহাসনে বসে সে বলল,
'এখন আমিই স্বর্গের রাজা!'
😔 দেবতারা তখন আর কী করবেন? যুদ্ধে হেরে গিয়ে তাঁদের মন খুব খারাপ হয়ে গেল। ব্রহ্মাকে সঙ্গে নিয়ে তাঁরা মহাদেব আর বিষ্ণুর কাছে গেলেন। তাঁরা বললেন,
'হে প্রভু, মহিষাসুর তো আমাদের বড়োই দুর্দশা করেছে। যুদ্ধে হারিয়ে স্বর্গ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। এখন আপনারা যদি আমাদের রক্ষা না করেন তবে আমাদের উপায় কী হবে?'
🔥 মহিষাসুরের অত্যাচারের কথা শুনে শিব ও বিষ্ণুর বড়োই রাগ হল। সেই রাগে তাঁদের শরীর থেকে ভয়ানক এক তেজ বের হতে লাগল। আর কী আশ্চর্য! অন্য যে দেবতারা সেখানে হাজির ছিলেন, তাঁদের শরীর থেকেও ওই রকম তেজ বেরিয়ে এল। মনে হল যেন একটা আগুনের পর্বত সকলের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। দেখতে দেখতে সেই তেজ জমাট বেঁধে একজন দেবীর মতো হয়ে গেল ✨।
🌟 মহিষাসুর বধ: দেবীর আগমন 🌟
তাঁকে দেখে দেবতাদের সে কী আনন্দ! 🤩 তারা সকলে মিলে কেউ অস্ত্র ⚔️, কেউ বস্ত্র 🥻, কেউ অলংকার এনে দেবীকে দিতে লাগলেন। হিমালয় পর্বত বিশাল এক সিংহ 🦁 এনে তাঁর বাহন করে দিলেন।
তারপর সেই দেবী তাঁর দশ হাতে দশরকম অস্ত্র নিয়ে, সিংহের পিঠে চড়ে যখন গর্জন করলেন, তখন আকাশ-বাতাস কেঁপে উঠল! সেই গর্জন শুনে অসুরেরা ছুটে এল।
তারপর শুরু হল যুদ্ধ! সে কি যেমন-তেমন যুদ্ধ! মহিষাসুর নিজে যেমন ইচ্ছে, তেমন রূপ ধারণ করতে পারতো। তার এক-একটি সেনাপতিও তেমনি। তাদের কারো নাম চিকুর, কারো নাম চামর, কারো বা মহাজব, কেউ বা বিড়ালক্ষ। কিন্তু কেউ-ই দেবীর সঙ্গে আঁটে উঠতে পারল না। দেবী সিংহও আড়ম্ব-কামড় দিয়ে তাদের নাকাল করল। শেষ পর্যন্ত মহিষাসুর নিজেই কখনও সিংহ, কখনও বা হাতি, কখনও বা মহিষের রূপ ধরে যুদ্ধ করতে লাগল। কিন্তু দেবীর সামনে সে টিকতে পারল না। যখন মহিষাসুর দেখল যে মহিষের পেটের মধ্যে থেকে যুদ্ধ করে দেবীকে হারানো যাবে না। সে মহিষের পেটের মধ্যে থেকে বেরিয়ে আসতে গেল। কিন্তু আধ্যাত্মিকভাবে যে যুদ্ধ করতে গেল, অমনি দেবী ছড়া দিয়ে তার মাথা কেটে ফেললেন।
তখন তো দেবতাদের যা আনন্দ হবেই! তারা দেবীকে প্রণাম করলেন 🙏।
দেবী বললেন, 'তোমরা কী বর চাও?'
দেবতারা বললেন, 'আবার কী বর চাইব? মহিষাসুর মরেছে। তাতেই আমাদের জে হয়েছে। এমন শুধু এইটুকু বলুন, আমাদের আবার যদি বিপদ হয় তখন ডাকলে আসবেন।'
দেবী বললেন, 'আচ্ছা আমি আসব।'
এই বলে তিনি আকাশে মিলিয়ে গেলেন। ☁️
📖 পাঠ-সহায়
(১৫.০২.২৫ - চলিত ভাষায় রূপান্তরিত)
✍️ লেখক-পরিচিতি: উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
নির্মল আনন্দরাসিক শিশুসাহিত্যিক উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী জন্মগ্রহণ করেন ১৮৬৩ সালের ১০ মে সে সময়ের ময়মনসিংহ জেলার মসুয়া গ্রামে। কিশোর অবস্থা থেকেই তাঁর সাহিত্য হাতেখড়ি। তিনি শিক্ষাপত্রিকা সখা, বালক, সাথী, মুকুল ইত্যাদি মাধ্যমে কাজ করেছেন।
শিশু-কিশোরদের জন্য বহুসংখ্যক পুস্তক রচনা করেছেন, এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ:
- 'ছোটোদের রামায়ণ'
- 'ছোটোদের মহাভারত'
- 'সকালের কথা'
- 'মহাভারতের গল্প'
- 'ছোট রামায়ণ'
- 'টুনটুনির বই'
- 'গুপী গাইন বাঘা বাইন'
বহুগুলির প্রচ্ছদ এবং ভেতরের ছবি তিনি নিজেই অঙ্কন করেন। বাংলা ছাপারখানা প্রচলনে তাঁর ভূমিকা ছিল অনবদ্য। ১৯১৫ সালের ২০ ডিসেম্বর তাঁর জীবনাবসান ঘটে। 😔
💡 গল্পের মূলভাব: মহিষাসুর বধ
- মহিষাসুর ইন্দ্রের সিংহাসন দখল করলে দেবতারা ভীত হয়ে মহাদেবের এবং বিষ্ণু অন্য দেবতাদের শরণাপন্ন হন।
- দেবতাদের কাতর আবেদনে সাড়া দিয়ে মহিষাসুর বধের জন্য মহামায়া দেবী দুর্গাকে সৃষ্টি করেন।
- বিভিন্ন দেবতার অস্ত্র ⚔️ ও সিংহ 🦁 নিয়ে সৃষ্টি হওয়া দশভুজা দুর্গা মহিষাসুরকে যুদ্ধ করে পরাস্ত করেন।
- মহিষাসুর হত হলে দেবতারা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলেন।
- বিপদে তিনি আসবেন জানিয়ে দেবী আকাশে মিলিয়ে গেলেন। ☁️ এই গল্পটির মাধ্যমে লেখক পৌরাণিক কাহিনি অনুসারে দেবী দুর্গার সৃষ্টি রহস্য বুঝিয়েছেন।
📖 গল্পের নামকরণ: মহিষাসুর বধ
মহিষাসুর ছিল একজন অত্যাচারী। তার অত্যাচারে দেবতারা অস্থির। ব্রহ্মাকে সঙ্গে নিয়ে তারা গেলেন মহাদেব আর বিষ্ণুর কাছে। মহিষাসুরের অত্যাচারের কথা শুনে শিব ও বিষ্ণু খুব রেগে গেলেন। সেই রাগ থেকে তেজ বেরিয়ে এল। উপস্থিত অন্যান্য দেবতাদের শরীর থেকেও তেজ বেরিয়ে এল। সেই তেজ থেকে দেবী দুর্গার জন্ম হল। দেবতারা নানা অস্ত্রে তাঁকে সাজালেন। এই দুর্গা মহিষাসুরকে বধ করেছিলেন। সমগ্র গল্পে মহিষাসুর বধের কাহিনি বর্ণনা করা হয়েছে। তাই এই গল্পটির নামকরণ ‘মহিষাসুর’ সার্থক হয়েছে।
📝 শব্দার্থ ও টীকা:
- অত্যাচারী – অন্যায়কারী।
- অস্থির – চঞ্চল।
- ব্রহ্মা – একজন দেবতা।
- একটানা – ক্রমাগত।
- স্বর্গ – দেবতাদের বাসস্থান।
- দেবরাজ – দেবতাদের রাজা।
- ইন্দ্র – হিন্দুধর্মের দেবতা বিশেষ।
- তেজ – আলোক ও তাপ।
- পর্বত – বড়ো পাহাড়।
- অস্ত্র – হাতিয়ার।
- পাষাণ – পাথর।
- গহনা – অলংকার।
- বাহন – যে বা যা বহন করে নিয়ে চলে।
- গর্জন – সিংহের ডাক।
- দুর্মুখ – চারজন অসুরের নাম।
- এটি – পেরে ওঠা।
- নাকাল – নাজেহাল অবস্থা।
- রূপ – মূর্তি বা আকৃতি।
- খ্যাপা – খ্যাপা।
- বজ্র – বাঁড়া।
- বর – দেবতার আশীর্বাদ।
- টের – অনেক।
✍️ অনুশীলনী
বোধমূলক
১। সঠিক উত্তরটি খুঁজে নিয়ে লেখো:
১.১ মাস সেজে ঘুরে বেড়াতো—
- (ক) ছিপার অসুর
- (খ) মহিষাসুর
- (গ) বিড়ালাক্ষ
১.২ দেবতাদের রাজা ছিলেন—
- (ক) বিষ্ণু
- (খ) মহাদেব
- (গ) ইন্দ্র
১.৩ দেবতাদের দুর্দশার কারণ ছিল—
- (ক) মহিষ
- (খ) মহিষাসুর
- (গ) দেবরাজ ইন্দ্র
১.৪ দেবতাদের শরীর থেকে বেরোতে লাগল ভয়ানক—
- (ক) আগুন
- (খ) তেজ
- (গ) অস্ত্র
১.৫ দেবীর বাহন ছিল—
- (ক) সিংহ
- (খ) বাঘ
- (গ) হাতী
১.৬ যুদ্ধশেষে মহিষাসুর হত হলে দেবতাদের—
- (ক) দুঃখ হয়েছিল
- (খ) আনন্দ হয়েছিল
- (গ) দুর্দশা হয়েছিল
বোধমূলক
২। এক কথায় উত্তর দাও:
(ক) কত বছর ধরে অসুর ও দেবতাদের যুদ্ধ হয়েছিল?
উত্তর: একশো বছর
(খ) ‘এখন আমিই স্বর্গের রাজা’—ইন্দ্রের সিংহাসন কে দখল করে স্বর্গের রাজা হয়েছিল?
উত্তর: মহিষাসুর
(গ) কাকে সঙ্গে নিয়ে দেবতারা মহাদেবের কাছে এসেছিলেন?
উত্তর: ব্রহ্মা
(ঘ) ‘বিশাল এক সিংহ এনে তাঁর বাহন করে দিলেন!’—কে সিংহকে দেবীর বাহন করে দিলেন?
উত্তর: হিমালয় পর্বত
(ঙ) দেবীর কতগুলি হাত ছিল?
উত্তর: দশটি হাত
(চ) দেবী কোথায় মিলিয়ে গেলেন?
উত্তর: আকাশে
জ্ঞানমূলক
৩। দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও:
(ক) ‘সবাই তাকে মহিষাসুর নামে ডাকত’—মহিষাসুর কে ছিল?
উত্তর: মহিষাসুর ছিলেন এক ভয়ংকর অসুর, যিনি মহিষ বা মোষের রূপ ধারণ করতে পারতেন এবং দেবতাদের সঙ্গে একশো বছর যুদ্ধ করেছিলেন।
(ঘ) যুদ্ধে হেরে দেবতারা কার কাছে গেলেন?
উত্তর: মহাদেব ও বিষ্ণুর কাছে
(ঙ) ‘তাঁকে দেখে দেবতাদের সে কী আনন্দ!’—কার দিকে দেখার পর দেবতাদের আনন্দ হয়েছিল?
উত্তর: দেবী দুর্গা
(চ) মহিষাসুরের সেনাপতি কারা ছিল?
উত্তর: চিকুর, চামর, মহাজব, বিড়ালক্ষ
(ছ) ‘তারপর শুরু হল যুদ্ধ। সে কি কেমন-তেমন যুদ্ধ!’—যুদ্ধে মহিষাসুরের কী পরিণতি হল?
উত্তর: মহিষাসুর দেবীর সঙ্গে লড়ে হেরে যায় এবং দেবী তার মাথা ছেঁটে মারেন।
৪১। সংক্ষিপ্ত উত্তর দাও: 📝
(ক) ‘দেবতারা যখন আর কী করেন?’—দেবতাদের কী সমস্যা হয়েছিল?
উত্তর: তারা মহিষাসুরের অত্যাচারে ভীত ও দুঃখিত ছিলেন।
(খ) ‘আর কী আশ্চর্য!’—আশ্চর্য ঘটনাটি কী ছিল?
উত্তর: দেবতাদের শরীর থেকে তেজ বের হয়ে জমাট বেঁধে দেবীর মূর্তি তৈরি হলো।
(গ) দেবতারা কীভাবে দেবীকে যুদ্ধের জন্য সাজিয়ে দিলেন?
উত্তর: সবাই অস্ত্র, বস্ত্র ও অলংকার নিয়ে দেবীকে সাজালেন।
(ঘ) ‘তাঁকে দেখে দেবতাদের সে কী আনন্দ!’—দেবতাদের খুব আনন্দ হয়েছিল কেন?
উত্তর: কারণ দেবী দুর্গা মহিষাসুরকে পরাস্ত করতে চলেছেন।
৫। নিজের ভাষায় উত্তর লেখো: 🤔
(ক) দেবী দুর্গার সৃষ্টি-কাহিনি বর্ণনা করো।
উত্তর: মহিষাসুর দেবতাদের স্বর্গ দখল করলে দেবতারা মহাদেব ও বিষ্ণুর কাছে সাহায্যের জন্য গেলেন। তাঁদের রাগ ও শক্তি থেকে তেজ বের হয়ে জমাট হয়ে একটি দেবীর মূর্তি তৈরি হলো। দেবীরা অস্ত্র ও সাজ-পোশাক পেয়ে মহিষাসুরকে বধ করার জন্য সজ্জিত হলেন।
(খ) মহিষাসুরকে কি তোমার সাহসী বলে মনে হয়? নিজের মতের পক্ষে যুক্তি দাও।
উত্তর: না, মহিষাসুর সাহসী হলেও অত্যাচারী ছিল। সে স্বর্গ দখল করতে পেরেছিল, কিন্তু অন্যদের প্রতি সহানুভূতি বা ন্যায়বিচার ছিল না।
(গ) দেবীর সঙ্গে মহিষাসুরের যুদ্ধের বর্ণনা দাও।
উত্তর: দেবী দশ হাতে দশরকম অস্ত্র নিয়ে সিংহের পিঠে চড়ে মহিষাসুর ও তার সেনাপতিরা যুদ্ধ শুরু করে। মহিষাসুর রূপ পরিবর্তন করেও দেবীর সঙ্গে লড়তে পারল না। শেষপর্যন্ত দেবী তার মাথা ছেঁটে হত্যা করলেন।
৬। নীচের শব্দগুলির অর্থ লেখো: 📚
- ভয়ংকর – আতঙ্কজনক
- স্বর্গ – দেবতাদের বাসস্থান
- অত্যাচার – অন্যায় ও শোষণ
- গর্জন – সিংহের ডাক বা চিৎকার
- নাকাল – নাজেহাল, পরাস্ত
৭। বিপরীত শব্দ লেখো: 🔄
- অসুর – দেবতা
- বিশাল – ক্ষুদ্র
- সামনে – পেছনে
- যুদ্ধ – শান্তি
- বর – অভিশাপ
৮। পদ পরিবর্তন করো: ✏️
- অসুর → অসুরী
- দেব → দেবতা
- স্বর্গ → নরক
- প্রণাম → নমস্কার
- আকাশ → মেঘ
৯। নীচের এলোমেলো বর্ণগুলি সাজিয়ে শব্দ তৈরি করো: 🧩
- সু র ম যা হি → সুরম্য
- ব দ ল ল → বদল
- র ত্যা অ চা → অত্যাচার
- তি সে পা না → সেনাপতি
১০। নীচের শব্দগুলি দিয়ে বাক্য রচনা করো: ✍️
- অলংকার – দেবী দুর্গা সুন্দর অলংকার পরেছিলেন।
- রক্ষা – দেবী আমাদের রক্ষা করতে এসেছেন।
- দশ রকম – দেবীর দশ হাতে দশ রকম অস্ত্র ছিল।
- যুদ্ধ – মহিষাসুর ও দেবীর মধ্যে যুদ্ধ শুরু হলো।
১১। সঠিক বাক্যটির পাশে '✓' এবং ভুল বাক্যের পাশে 'x' চিহ্ন বসাও: ✅❌
- (ক) মহিষাসুর ছিল নিরীহ প্রকৃতির অসুর। ❌
- (খ) একশ বছরের যুদ্ধে জিতেছিল মহিষাসুর। ✓
- (গ) দেবতাদের শরীর থেকে তেজ বেরিয়ে এসেছিল। ✓
- (ঘ) দেবীর আটহাতে আটটি অস্ত্র ছিল। ❌ (দশ হাতে ছিল)
- (ঙ) মহিষাসুর হাতির রূপ ধরে দেবীর সাথে যুদ্ধ করেছিল। ✓
১২। দুটি করে প্রতিশব্দ লেখো: 👯
- দুর্গা – দেবী, মায়া
- শিব – মহাদেব, ভোলানাথ
- শরীর – দেহ, দেহাবয়ব
- পর্বত – পাহাড়, গিরি
- রাজা – সম্রাট, বাদশাহ
- সিংহ – সিংহরাজ, চিত্ররাজ
CONTENT MANAGER