আবদুল মাঝির গল্প — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
আবদুল মাঝির গল্প — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর - WBBPE - Grade 3 - বাংলা
📖 আবদুল মাঝির গল্প (Abdool Majhi's Story)
✍️ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর (Rabindranath Tagore)
একদিন এক চমৎকার গল্প শুনলাম আবদুল মাঝির কাছ থেকে। আবদুলকে আমি ভালো করেই চিনি – তার দাড়ি ছাঁটা, গোঁফ কামানো, আর মাথা নেড়া। সে প্রায়ই আমাদের জন্য পঁজা থেকে তাজা ইলিশ মাছ আর কচ্ছপের ডিম নিয়ে আসত। 🐟🐢
আবদুল তার এক অভিজ্ঞতার কথা বলছিল: 🗓️ শ্রাবণ মাসের শেষ দিক। সে তার ডিঙি নৌকা নিয়ে মাছ ধরতে বেরিয়েছিল নদীতে। হঠাৎ আকাশ কালো করে এক ভীষণ কালবৈশাখী ঝড় এসে পড়ল! ⛈️🌪️ বাতাস আর ঢেউয়ে তার ছোটো ডিঙিটা টলমল করছিল, যেন এই বুঝি ডুবে যাবে। এমন সময়, আবদুল আর দেরি না করে ঝাঁপিয়ে পড়ল উত্তাল জলে! সাঁতরে নদীর চরে উঠে, প্রাণপণে তার ডিঙির দড়ি ধরে টেনে সেটিকে নিরাপদে পাড়ে তুলল। 💪🛶
আমি তার গল্প শুনে একটু অবাক হলাম, "এতো তাড়াতাড়ি শেষ! নৌকা তো ডুবলই না, সে তো দিব্যি বেঁচে গেল – এটা কি কোনো গল্প হলো?" তাই আমি বারবার জানতে চাইলাম, "তারপর কী হলো? 💬"
আবদুল হেসে আবার শুরু করল, "তারপর এক অদ্ভুত কাণ্ড ঘটল! 😱 ঝড়ের তাণ্ডবে নদীর ওপারের ঘাটে একটা বিশাল পাকুড় গাছ প্রায় ভেঙে পড়েছিল। আর সেই গাছের পাশেই আমি দেখলাম এক নেকড়ে বাঘ! ইয়া বড়ো তার গোঁফজোড়া! গাছটা যেই জলের মধ্যে পড়ল, বাঘটাও ভেসে গেল প্রবল স্রোতে। কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে, সেটা জল থেকে টলতে টলতে উঠে এল আমারই চরে! 🐾
তাকে দেখেই আমার মনে হল, এর জন্য একটা ফন্দি আঁটতে হবে। আমি তখনই আমার রশি দিয়ে একটা ফাঁস তৈরি করে ফেললাম! 🪢 বাঘটা ছিল দানবের মতো, তার চোখগুলো যেন লাল টকটকে আগুনের গোলা! 👀 খিদেতে তার পেট জ্বলছিল। আমাকে দেখেই তার মুখ থেকে লালা ঝরতে শুরু করল, আর তার লাল জিভটা বেরিয়ে এল। 👅
এই বাঘটা হয়তো অনেক মানুষের সঙ্গে পরিচিত ছিল, কিন্তু আমাকে সে চিনত না। আমি তাকে সাহস করে ডাক দিলাম, "আও বাচ্ছা!" (এসো বাচ্চা!) 🗣️ সে যেই সামনের পা তুলে আমার দিকে এগিয়ে আসতে চাইল, আমি তক্ষুনি তার গলায় ফাঁসের দড়িটা শক্ত করে আটকে দিলাম! ⚡️ বাঘটা নিজেকে ছাড়ানোর জন্য যত ছটফট করতে লাগল, ফাঁস ততটাই তার গলাকে চেপে ধরল, আর তার জিভটা বেরিয়ে এল! 😬
এই পর্যন্ত শুনেই আমি ব্যস্ত হয়ে বললাম, ‘আবদুল, সে মরে গেল নাকি?’ আবদুল বললো, ‘মরবে তার বাপের সাধ্যি কী? নদীতে বান এসেছে, বাহাদুরগঞ্জে ফিরতে হবে, তোরা ভিড়ের সঙ্গে জুড়ে বাঁশের বাচ্চাকে দিয়ে গুণ টানিয়া নিতেই তিন ক্রোশ রাস্তা। নৌকাও দৌড়াতে থাকে, পেট নিচ দিয়ে খোঁচা দশা-পনেরো ঘণ্টার রাস্তা দেড় ঘণ্টায় পৌঁছিয়ে দিলে। তার পরেকার কথা আর জিগ্যাস কোরো না বাবা, জবাব মিলবে না।’
আমি বললাম, ‘আচ্ছা, বেশ, বাঘ তো হল, এবার কুমির?’ আবদুল বললো, ‘জোয়ার উপরে তার নাকের ডগা দেখেছি অনেকবার। নদীর তালু ডাঙায় লম্বা হয়ে শুয়ে সে যখন রোদ পোহায়, মনে হয় তারে বিচ্ছিরি হাসি হাসছে। বন্দুক থাকলে মোকাবিলা করা যেত। লাইসেন্স ফুরিয়ে গেছে। কিন্তু মজা হল। একদিন কাঁটি বেদেমিয়া ডাঙায় বসে দা দিয়া বাঘের চামড়া ছাড়ানোর জন্য পাছাবাঁধা। কখন নদী থেকে উঠে কুমিরটা সাঁতার মার আর এসে ঠেসে নিয়ে চলল। বেদেমিয়া একেবারে লাফ দিয়ে বসল তার পিঠের উপর। দা দিয়ে ওই দাতে গিরগিটির গলায় পোঁতা উপর পোঁচ লাগাল। ছাগলছানা ছেড়ে জবুটি ডুবে পড়ল জলে।’
আমি ব্যস্ত হয়ে বললাম, ‘তার পরে?’ আবদুল বললো, ‘তার পরেকার খবর তলি, গেছে জলের তলায়, তুলে আনতে দেরি হবে।’
পাঠ-সহায় 📖
🧑🏫 লেখক-পরিচিতি
১৮৬১ সালের ৭ মে কলকাতার জোড়াসাঁকোয় ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। তাঁর পিতার নাম মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এবং মাতার নাম সারদা দেবী। শৈশবে তিনি কলকাতার ওরিয়েন্টাল সেমিনারী এবং সেন্ট জেভিয়ার্স স্কুলে কিছুদিন পড়াশোনা করলেও, পরে তাঁর পছন্দ অনুসারে বাড়িতেই গৃহশিক্ষকের কাছে তিনি পাঠাভ্যাস করেন। অতি অল্প বয়সে তিনি কবিতা লিখতে শুরু করেন। তাঁর রচিত কাব্যগ্রন্থগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য:
- ‘সোনার তরী’ (১৮৯৪)
- ‘চিত্রা’ (১৮৯৬)
- ‘ক্ষণিকা’ (১৯০০)
- ‘গীতাঞ্জলি’ (১৯১০)
- ‘বলাকা’ (১৯১৬)
- ‘পুনশ্চ’ (১৯৩২) ইত্যাদি।
এছাড়া ছোটগল্প, উপন্যাস, নাটক, প্রবন্ধ এবং অসংখ্য গান রচনা করে তিনি বিশ্বের শ্রেষ্ঠ লেখক-কবিদের মধ্যে হয়েছেন ‘বিশ্বকবি’। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের ইংরেজি অনুবাদ করে ‘নোবেল পুরস্কার’ লাভ করেন। মহান এই কবির জীবনাবসান ঘটে ১৯৪১ সালের ৭ই আগস্ট।
💡 গল্পের মূলভাব
‘আবদুল মাঝির গল্প’ শিরোনামের লেখক তাঁর ছোটোবেলার মস্ত দিনযাপনের স্মৃতি তুলে ধরেছেন। লেখকের পরিচিত আবদুল মাঝি তাকে নানা রোমাঞ্চকর ঘটনা, বাঘ বা কুমির শিকারের গল্প শোনাতো। সেই গল্প কখনও কখনও বাস্তবতাকে ছাড়িয়ে যেত। যখন মাঝির মুখে শোনা গল্পের মধ্যে দিয়ে লেখক নিজে অভিজ্ঞতার রোমাঞ্চের স্বাদ নিতে চাইতেন। লেখকের অদম্য ইচ্ছে হত যে যখন আবদুল মাঝি একসময়ে গল্প শুরু করতে চেয়েও বলতো বা হয়তো সে, গল্পের কুমিরের সঙ্গে গল্পও তলিয়ে গেছে জলের তলায়। স্মৃতি থেকে শৈশবের মজা ও দিনের গল্প লেখক ভাগ করে নিয়েছেন পাঠকের সঙ্গে।
🔖 গল্পাংশের নামকরণ
আবদুল মাঝি নামক জনৈক ব্যক্তির কথাই গল্পে তুলে ধরা হয়েছে। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর ছেলেবেলায় আবদুল মাঝির কাছে নানা ধরনের গল্প শুনেছিলেন। সেই গল্পের কথাই তিনি
এখানে লিপিবদ্ধ করেছেন। সমগ্র গল্পে আব্দুল মাঝির সাহস, বুদ্ধি এবং অভিজ্ঞতার কথা ব্যক্ত হয়েছে। এই কারণেই গল্পটার নামকরণ করা হয়েছে 'আব্দুল মাঝির গল্প'।
📖 শব্দার্থ ও টীকা
- ছুঁচলো — ধারালো, সামনের দিকে সরু।
- কামানো — কাঁটা।
- নেড়া — চুল নেই যে মাথায়।
- পদ্মা — গঙ্গার একটি শাখানদী, বাংলাদেশের প্রধান নদী।
- চৈত্র মাস — চৈত্র মাস।
- কালাবৈশাখী — গ্রীষ্মকালের বিকালের ঝড়বৃষ্টি।
- ঘাভি খাওয়া — নিঃশ্বাসের অভাব বোধ করা।
- তোড়ে — প্রবল স্রোতের চাপে।
- তুফান — তেড়।
- কাহি — নৌকো বাঁধার দড়ি।
- ভিড় — ছোটো নৌকো।
- গঙ্গুর — গ্রামের বাজারহাট বসে যে এলাকায়।
- রশি — দড়ি।
- ফাঁস — দড়ির গিঁট।
- বান — বন্যা।
- গুণ — নৌকা টানার দড়ি।
- দাঁড় — নৌকা চালানোর কাঠের হাতল।
- মোকাবিলা — লড়াই, প্রতিরোধ।
- লাইসেন্স — অনুমতিপত্র।
- দানো — দানবের মতো।
- তলিয়ে — ডুবে।
📝 অনুশীলনী
🧠 ১. সঠিক উত্তরটি খুঁজে নিয়ে লেখো :
1.1 আব্দুল মাঝি দাদাকে এনে দিত — ✅ (খ) কচ্ছপের ডিম
1.2 আব্দুল সাঁতরে উঠল — ✅ (খ) চরে
1.3 নেকড়ে বাঘ খাদ্যের সময় উঠে ছিল — ✅ (ঘ) জলের উপরে
1.4 বাঘের জিভ থেকে লাল ঝাল ঝরতে শুরু করেছিল — ✅ (খ) আব্দুল মাঝিকে দেখে
1.5 নেকড়ে বাঘ নৌকা টেনেছিল প্রায় — ✅ (খ) পনেরো ঘণ্টা
1.6 কাঁঠি বেদেনী লাফ দিয়েছিল — ✅ (ক) কুমিরের পিঠের ওপর
💡 ২. এক কথায় উত্তর দাও :
(ক) আব্দুল মাঝি ভিড়ি নিয়ে কোথায় গিয়েছিল? ➡️ বাহাদুরগঞ্জে।
(খ) আব্দুল পদ্মা নদী থেকে কোন মাছ আনত? ➡️ ইলিশ মাছ।
(গ) নেকড়ে বাঘের জিভ কেমন ছিল? ➡️ লাল টকটকে ও লম্বা।
(ঘ) বাহাদুরগঞ্জ কত ক্রোশ রাস্তা? ➡️ তিন ক্রোশ।
(ঙ) বেদেনী ডাঙায় বসে কী করছিল? ➡️ বাঘের চামড়া ছাড়াচ্ছিল।
(চ) কুমিরের গলায় প্যাঁচ লাগানোর জন্য কী অস্ত্র ব্যবহার করেছিল? ➡️ দা।
🤔 ৩. দু-তিনটি বাক্যে উত্তর দাও :
(ক) আবদুল মাঝির চেহারার বর্ণনা দাও। ➡️ আব্দুল মাঝির দাড়ি ছাঁটা, গোঁফ কামানো, আর মাথা নেড়া ছিল। সে মাঝারি গড়নের মানুষ এবং খুব সাহসী ও অভিজ্ঞ জেলে।
(খ) দাদাকে সে কোথা থেকে, কী কী এনে দিত? ➡️ আব্দুল মাঝি পদ্মা নদী থেকে দাদাকে এনে দিত তাজা ইলিশ মাছ ও কচ্ছপের ডিম।
📘 ৪. সংক্ষিপ্ত প্রশ্নাবলী ও উত্তর
(গ) ‘হঠাৎ এল কালবৈশাখী’ — কালবৈশাখী কখন এসেছিল? ➡️ শ্রাবণ মাসের শেষ দিকে কালবৈশাখী এসেছিল।
(ঘ) ‘দেখি এক নেকড়ে বাঘ’ — বাঘের সময় নেকড়ে বাঘের কী অবস্থা হয়েছিল? ➡️ ঝড়ের তাণ্ডবে নদীর ওপারের ঘাটে থাকা বাঘটি গাছসহ জলে ভেসে এসে আব্দুলের চরে উঠেছিল।
(ঙ) ‘ছাগলছানা ছেড়ে গুটো ডুবে পড়ল জলে।’ — কেন পুঁথির ছাগলছানা ছেড়ে জলে গেল? ➡️ কারণ কুমির বেদেনীকে টেনে নিয়ে নদীতে ডুবিয়ে দিয়েছিল।
✍️ ৫. নিজের ভাষায় উত্তর লেখো :
(ক) নেকড়ে বাঘ ও আব্দুল মাঝির লড়াই কেমন হয়েছিল? ➡️ আব্দুল মাঝি সাহস করে বাঘের গলায় ফাঁসের দড়ি পেঁচিয়ে শক্ত করে ধরেছিল। বাঘ যতই ছটফট করছিল, ততই দড়ি গলায় শক্ত হচ্ছিল। শেষ পর্যন্ত বাঘটি অসহায় হয়ে পড়েছিল।
(খ) আবদুল মাঝি সাহসী ছিল কি? যুক্তিসহ লেখো। ➡️ হ্যাঁ, সে খুবই সাহসী ছিল। সে উত্তাল নদীর স্রোতে নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে নৌকা উদ্ধার করেছিল এবং এক ভয়ংকর বাঘের সঙ্গেও লড়াই করেছিল।
(গ) আবদুল মাঝি আর কাঁঠি বেদেনী— কে বেশি সাহসী বলে মনে হয়? ➡️ কাঁঠি বেদেনী বেশি সাহসী বলে মনে হয়, কারণ সে এক ভয়ঙ্কর কুমিরের সঙ্গে সরাসরি লড়াই করেছিল এবং দা দিয়ে তার গলায় আঘাত করেছিল।
📚 ৬. নিচের শব্দগুলির অর্থ লেখো :
| শব্দ | অর্থ |
|---|---|
| চঞ্চির মাস | চৈত্র মাস |
| তোড়ে | প্রবল স্রোতের চাপে |
| দাঁড় | নৌকা চালানোর কাঠের হাতল |
| পরোপকার | অন্যের মঙ্গল সাধন |
| মোকাবেলা | প্রতিরোধ বা লড়াই করা |
| লাইসেন্স | অনুমতিপত্র |
🔄 ৭. নিচের শব্দগুলির বিপরীত শব্দ লেখো :
| শব্দ | বিপরীত শব্দ |
|---|---|
| সুচলো | ভোঁতা |
| ভোর | সন্ধ্যা |
| বাইরে | ভেতরে |
| বিচ্ছিন্ন | যুক্ত |
| জল | স্থল |
| দেরি | তাড়াতাড়ি |
🧩 ৮. পদ পরিবর্তন করো :
| শব্দ | পদ পরিবর্তন |
|---|---|
| প্রকৃতি | প্রাকৃতিক (বিশেষণ) |
| মাস | মাসিক (বিশেষণ) |
| বাঘ | বাঘিনী (বিশেষ্য) |
| জল | জলীয় (বিশেষণ) |
| চোখ | চোক্ষু (বিশেষ্য) |
| লাল | লালচে (বিশেষণ) |
| বন্ধন | বন্ধিত (বিশেষণ) |
🔠 ৯. নিচের এলোমেলো বর্ণগুলি সাজিয়ে শব্দ তৈরি করো :
| এলোমেলো শব্দ | সঠিক শব্দ |
|---|---|
| পচ্ছক | কচ্ছপ |
| ভাগািজোফ | ফাগোভিজা (ভুল লেখা, হতে পারে “জোফাগি” → বাঘ) |
| রিচ্ছবি | ছবি |
| টিগিগির | গিরগিটি |
✍️ ১০. বাক্য রচনা করো :
| শব্দ | বাক্য |
|---|---|
| কচ্ছপ | কচ্ছপ খুব ধীরে হাঁটে। |
| তিমি | তিমি পৃথিবীর সবচেয়ে বড় প্রাণী। |
| দমকা | আজ বিকেলে দমকা হাওয়া উঠেছিল। |
| চেনাশোনা | সে আমার বহুদিনের চেনাশোনা বন্ধু। |
| ডালু | ডালু গাছে পাকা ফল ধরেছে। |
✅❌ ১১. সঠিক ও ভুল নির্ধারণ করো :
| বাক্য | চিহ্ন |
|---|---|
| (ক) কালবৈশাখী এসেছিল আশ্বিন মাসের শেষে। | ❌ |
| (খ) নেকড়ে বাঘের গোঁফজোড়া ছিল বেশ বড়ো। | ✅ |
| (গ) আব্দুল মাঝির মাথাটা চিনত। | ❌ |
| (ঘ) নেকড়ে বাঘ নৌকার গুণ টেনে নিয়ে গিয়েছিল। | ✅ |
| (ঙ) ছাগলছানা ছেড়ে গুটো উঠে পড়ল ডাঙ্গায়। | ❌ |
CONTENT MANAGER